ধানমন্ডির পুরনো বইয়ের দোকানে বাবা-মেয়ের একটি মুহূর্ত, যেখানে একটি ভাঁজ করা পাতা তাদের কাছে বইয়ের প্রকৃত মূল্য — স্মৃতি, উত্তরাধিকার আর পারস্পরিকতার সাক্ষ্য — উন্মোচন করে।
রফিক, ৪২ বছরের স্কুল শিক্ষক, ধানমন্ডি ২৭ নম্বর সড়কের পুরনো বইয়ের দোকান 'পাঠক'-এর ভেতরের করিডোরে দাঁড়িয়ে ছিল। বিকেল ৫টার ঢাকার বাতাসে ধুলো আর পুরনো কাগজের গন্ধ মিশে ছিল, আর দোকানের ভেতরে হলদেটে বাল্বের আলোয় বইয়ের সারি ঝলমল করছিল। তার পাশে দাঁড়িয়ে ছিল তার ১৩ বছরের মেয়ে ফারিয়া, হাতে একটা ফাটা প্রান্তের রবীন্দ্রনাথের 'গীতাঞ্জলি'।
"বাবা, এই বইটা তো অনেক পুরনো," ফারিয়া বলল, পাতার রুক্ষ প্রান্তে আঙুল বোলাতে বোলাতে। "কেন নতুনটা কিনব না?"
রফিক হেসে বলল, "এই বইয়ের authenticity (প্রামাণিকতা) নতুনটায় নেই, মা। দেখো, এই পাতার কোণে কেউ একটা লাইন দাগিয়ে রেখেছে।"
ফারিয়া পাতাটা উল্টাল। একটা marginal (প্রান্তিক) নোট — "আমার হৃদয়ের গভীরে" — পেন্সিলে লেখা, প্রায় মুছে যাওয়া।
"কে লিখেছে?" ফারিয়া জিজ্ঞাসা করল।
This is the public preview. The full story, vocabulary review and practice are in the VocabStory app.