১৯৫৬ সালের ৭ আগস্ট প্রথম ট্রান্সআটলান্টিক টেলিফোন কেবল TAT-1 চালু হয়, যা ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার মধ্যে সরাসরি টেলিফোন সংযোগ স্থাপন করে এবং আন্তর্জাতিক যোগাযোগের নতুন যুগের সূচনা করে।
১৯৫৬ সালের ৭ আগস্ট, কানাডার নিউফাউন্ডল্যান্ডের ক্ল্যারেনভিল এবং স্কটল্যান্ডের ওবান-এর মধ্যে একটি ঐতিহাসিক venture (উদ্যোগ) সম্পন্ন হয়। এই প্রকল্পটি ছিল প্রথম ট্রান্সআটলান্টিক টেলিফোন কেবল, যা TAT-1 নামে পরিচিত। এই remarkable (উল্লেখযোগ্য) অর্জনটি আটলান্টিক মহাসাগরের তলদেশে ৩,৬০০ কিলোমিটার দীর্ঘ কেবল স্থাপন করে ইউরোপ ও উত্তর আমেরিকার মধ্যে সরাসরি টেলিফোন সংযোগ স্থাপন করে।
এই প্রকল্পের initiative (উদ্যোগ) নিয়েছিল AT&T এবং ব্রিটিশ পোস্ট অফিস। প্রকৌশলীদের একটি dedicated (নিবেদিত) দল কয়েক বছর ধরে এই কেবলের নকশা ও নির্মাণে কাজ করেন। সমুদ্রের গভীরে কেবল স্থাপনের কাজ ছিল অত্যন্ত challenging (চ্যালেঞ্জিং), কারণ সমুদ্রের তলদেশের ভূপ্রকৃতি ছিল অমসৃণ এবং আবহাওয়া ছিল প্রতিকূল।
This is the public preview. The full story, vocabulary review and practice are in the VocabStory app.