নীলক্ষেতের পুরোনো বইয়ের দোকানে রাফিদ নামের এক ছাত্র একটি ভাঁজ-পড়া, প্রান্তটীকাভরা বই খুঁজে পায়—যার ভেতরের হাতে-লেখা নোট তাকে বইটির আগের মালিকের অজানা জীবনের দিকে টেনে নেয়।
নীলক্ষেতের সরু গলির ভেতরে তৃতীয় দোকানের কাঠের তাকে হাত বোলাচ্ছিল রাফিদ, ২১ বছরের ইংরেজি সাহিত্যের ছাত্র। দুপুর ২টার কড়া রোদে দোকানের টিনের চাল গরম হয়ে উঠেছিল, আর পাখার নিচে বসেও তার ঘাম শুকোচ্ছিল না। হঠাৎ আঙুলের নিচে একটা রুক্ষ, পুরোনো বইয়ের মলাট ঠেকে গেল—পাতাগুলো brittle (ভঙ্গুর), কোণাগুলো dog-eared (ভাঁজ-পড়া), আর ভেতরের মার্জিনে marginalia (প্রান্তটীকা) হিসেবে কারো হাতে লেখা নোট ভরে আছে।
"এইটা কত?" রাফিদ দোকানদারকে জিজ্ঞেস করল, বইটা উল্টে-পাল্টে দেখতে দেখতে।
"দুইশো পঞ্চাশ। কিন্তু ভাই, ভেতরে দেখেন—আগের মালিকের হাতের লেখা।"
রাফিদ প্রথম পাতাটা উল্টাল। কালো কালিতে লেখা: "এই বইটা আমি তিনবার পড়েছি, প্রতিবারই নতুন কিছু পেয়েছি।" নিচে একটা তারিখ—২০০৯। বইটার provenance (উৎস) সম্পর্কে কৌতূহল জাগল তার মনে। কে এই মানুষটা ছিলেন?
This is the public preview. The full story, vocabulary review and practice are in the VocabStory app.