ধানমন্ডিতে এক কো-ওয়ার্কিং স্পেসে জহিরের সামনে উত্তেজিত ক্লায়েন্ট ভুল তথ্য নিয়ে অভিযোগ করেন। তিনি অভিযোগ স্বীকার করে বিকল্প, সময়সীমা ও যাচাইযোগ্য সমাধান উপস্থাপন করেন। ঘটনাটি দেখায় কঠিন ক্লায়েন্টের সঙ্গে কাজ করতে স্পষ্ট যোগাযোগ, সীমানা নির্ধারণ...
জহির, ২৩ বছর বয়সী ডেটা সায়েন্সের শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী, ঢাকার ধানমন্ডির ১১তলা কো-ওয়ার্কিং স্পেসে সোমবার বিকেল ৪টায় ট্র্যাফিকের হর্নের শব্দ থাকতেই ক্লায়েন্টের সামনে থেকে কাঁপা কাঁপা হাতে একটি লাল ফোল্ডার সরিয়ে দিল। ভেতরের ছাদে সাদা লাইট জ্বলছিল, আর সিলিং ফ্যানের তীব্র ঘোরার শব্দের মধ্যে ফোনের রিং শেষ হওয়ার আগেই তার নাম শুনে বলা হয়েছিল, “আপনার প্রস্তাবটি পরিষ্কার নয়।” জহির বুঝল কথোপকথনটি ইতিমধ্যে বাস্তব confrontation-এ পরিণত হয়েছে।
ক্লায়েন্ট মেসুদ হাসান টেবিলের ওপারে বসে ফাইলের একটি পাতা আঙুল দিয়ে চাপড়ে বললেন, “তোমাদের সমীক্ষায় ভুল সংখ্যা আছে। কেন এগুলো আমাকে দেখানো হলো? এই রিপোর্ট আমি বোর্ডে পেশ করতে পারব না।”
জহিরের ঠোঁট শক্ত হয়ে গেল।
This is the public preview. The full story, vocabulary review and practice are in the VocabStory app.